“মে মাসে ঝাড়ু দিয়ে তৃণমূলকে পরিষ্কার করবে বাংলার মানুষ”, কটাক্ষ দিলীপের

একুশের বিধানসভা নির্বাচনকে পাখির চোখ করে শাসকদলের পাশাপাশি প্রচারে নেমেছে রাজ্যের প্রত্যেকটি বিরোধীদল। একে অপরকে বিধানসভা নির্বাচনের টেক্কা দিতে প্রস্তুত।

বিশেষত রাজ্য বিজেপি উঠে পড়ে লেগেছে ২০২১ এর নির্বাচনে বাংলা দখল করতে। তাই আরো একবার বাংলা দখলের নিশ্চিত সুর শোনা গেল বিজেপির রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষের কণ্ঠে। এদিন তিনি বলেন, আগামী মে মাসে রাজ্যের মানুষ তৃণমূলকে ঝাড়ু দিয়ে পরিষ্কার করে দেবে।

শুক্রবার সকালে একুশের বিধানসভা নির্বাচনের ফলাফল নিয়ে যথেষ্ট আশাবাদী থাকতে দেখা যায় বিজেপি রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষ কে। এদিন তিনি বলেন,”একুশের ভোটেই দেখা যাবে কী হয়।

পশ্চিমবঙ্গের মানুষ ঝাড়ু দিয়ে তৃণমূলকে আগামী মে মাসে পরিষ্কার করবে।” খাদ্যমন্ত্রী জ্যোতিপ্রিয় মল্লিকের এলাকায় গিয়ে তাকেও কটাক্ষ করতে ছাড়লেন না দিলীপ ঘোষ। তিনি বলেন,”আমার বাক্যবাণ ওরা হজম করতে পারছে না। সত্য বলার কেউ নেই।”

শুধু তাই নয়, এদিনই সিউড়িতে হা’ম’লা প্রসঙ্গে দিলীপ ঘোষ শাসক দলের প্রতি ক্ষোভ প্রকাশ করেন। ওই হামলার জন্য তৃণমূল কংগ্রেস কে দায়ী করেন তিনি।

বিজেপি রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষ এদিন বলেন,”যাদের মনটা দূষিত তারা সব জায়গায় নোংরা দেখেন। বাংলাকে দূষিত করে দিয়েছেন তারা। পশ্চিমবঙ্গের মানুষ ঝাড়ু দিয়ে পরিষ্কার করবে আগামী মে মাসে।”

বেশ কিছুদিন ধরেই বহিরাগত ইস্যু নিয়ে বাংলার রাজনীতিতে তোলপাড় চলছে।নবান্নের সাংবাদিক বৈঠকে বিজেপিকে বহিরাগত বলে দাবি করেন রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। এ প্রসঙ্গে মুখ্যমন্ত্রী বলেন,”এইসব তথ্যে আর কাজ হবে না, বাংলার মানুষ এসব মেনে নেবে না।।”

এরই মধ্যে রাজ্যপাল কে কটাক্ষ করতে ছাড়েননি শ্রীরামপুরের তৃণমূল সাংসদ কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়। মামলা তুলে নেওয়ার আর্জি জানান তিনি। সুযোগ হাতছাড়া করেননি গেরুয়া শিবির। দিলীপ বলেন,”প্রলাপ বকে উনি পার্টির শেষ পেরেকটা পুঁতে দেবেন।”

বৃহস্পতিবার রাতে যোগদান মেলাকে কেন্দ্র করে বনগাঁ শহরে এসেছেন দিলীপ ঘোষ। শুক্রবার সকালে তিনি কয়েকশো কর্মী-সমর্থককে পাশে নিয়ে প্রাতঃভ্রমণে যান।

বনগাঁ পিডব্লুডি বাংলো থেকে বেরিয়ে মতিগঞ্জ, বাটামোড় হয়ে ত্রিকোণ পার্কের নীলদর্পন ভবনের সামনে এসে প্রাতঃভ্রমণ শেষ করেন দিলীপ ঘোষ। নীলদর্পন ভবনের সামনে বসে দলীয় নেতাকর্মীদের সঙ্গে নিয়ে চা খান তিনি।

এদিন চায় পে চর্চার অনুষ্ঠানে হাজির ছিলেন উত্তর কেন্দ্রের বিধায়ক বিশ্বজিৎ দাস, উত্তর ২৪ পরগনা জেলা সভাপতি শংকর চট্টোপাধ্যায়, বিধায়ক-সহ বিজেপি কর্মী সমর্থক রা।

বনগাঁর সাংসদ শান্তনু ঠাকুর সেখানে আসেন নি। এই নিয়ে প্রশ্ন উঠলে দিলীপ ঘোষ বলেন,”উনি মতুয়াদের সংগঠন নিয়ে ব্যস্ত রয়েছেন। প্রাতঃভ্রমণে সবাই যে আসতে পারবেন এমন কোনও কথা নেই।”