“রাজ্যে প্রশাসন কাঁপে ভাইপোর ভয়ে, আইন-সুরক্ষা কিছুই নেই”, বিস্ফোরক মন্তব্য শুভেন্দুর

রাজ্যপালের সঙ্গে বৈঠকের পর রাজভবন থেকে বেরিয়ে রাজার আইনশৃঙ্খলা নিয়ে সংবাদমাধ্যমের কাছে ক্ষোভ প্রকাশ করলেন বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী।

নির্বাচন-পরবর্তী হিংসার পরিপ্রেক্ষিতে রাজ্য সরকারকে আ-ক্রমন করে বসলেন তিনি। নন্দীগ্রামের বিজেপি বিধায়ক শুভেন্দু অধিকারী এদিন সংবাদমাধ্যমকেও একহাত নিলেন।

বিকেলে রাজ্যপালের সঙ্গে সাক্ষাৎ শেষে মুখ্যমন্ত্রীকে নিশানা করলেন শুভেন্দু। তিনি বলেন, “আইনশৃঙ্খলার চূড়ান্ত অবনতি হয়েছে, আইনের শাসন বলে কিছু নেই। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের তৃণমূল সরকার রাজ্যে ক্রমাগত ভয়ের পরিবেশ তৈরি করছে।

অত্যা-‘চারিত হচ্ছেন বিজেপি কর্মীরা। জনপ্রতিনিধিরা আক্রান্ত হচ্ছেন। তৃণমূলের সন্ত্রাসে ঘর ছাড়া কয়েকহাজার বিজেপি কর্মী। বাম আমলেও অনেক লড়াই করেছি কিন্তু এমন প্রশাসন দেখিনি।”

তৃণমূল বিজেপির মধ্যে পার্থক্য তুলে ধরে শুভেন্দু বলেন, “তৃণমূল ব্যক্তিকেন্দ্রীক দল, বিজেপি তা নয়”। এদিন তিনি নিশানা করতে ছারলেন না ডায়মন্ডহারবার সাংসদ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে।

আবারো তাকে ভাইপো বলে সম্বোধন করে প্রশাসনের ওপর জোর খাটানো অভিযোগ আনেন শুভেন্দু। একইসঙ্গে রাজ্যের নাচ শিক্ষা নিয়ে প্রশ্ন তোলেন তিনি। বলেন , “রাজ্যে নারী সুরক্ষা বলে কিছু নেই। মহিলা সাংসদের উপর হামলা হচ্ছে”।

এদিন শুভেন্দু সহ আরো বেশ কিছু বিজেপি বিধায়ক ভবনে গিয়ে রাজ্যপালের কাছে ডেপুটেশন জমা দেন। এদিন একইসঙ্গে দলত্যাগী আইন নিয়ে আলোচনা করা হয় বলে সূত্রের খবর।

মুকুল রায় বিজেপি ছেড়ে চলে যাওয়ার পর কার্যত হুঁশিয়ারির সুর শোনা গিয়েছে শুভেন্দু অধিকারীর কন্ঠে। বাংলায় দলত্যাগী আইন কার্যকর হবে বলে মমতাকে হুঁশিয়ারি দিয়েছেন বিরোধী দলনেতা।