সুশান্ত তার প্র’য়াণের একদিন আগে প্রিয় পো’ষ্যদের জন্য করে গিয়েছিল এই কাজটি, জানালেন কেয়ারটেকার

গত ১৪ই জুন আমাদের সকলকে বিদায় জানিয়ে চলে যান না ফেরার দেশে। সে যে আত্মঘাতী হয়নি প্রথম থেকেই এই প্রশ্নে সরব তার অনুরাগীরা, তাকে ইচ্ছাকৃতভাবে সরানো হয়েছে এমনটাই সকলের দাবী। সুশান্তের ঘটনার তদ’ন্তভার এখন সিবি’আই এর হাতে।

সে তার পো’ষ্যদের কতটা ভালোবাসতো তাই এই জায়গায় দাঁড়িয়ে আর বলার অপেক্ষা রাখে না। সারমেয়দের প্রতি ছিল তার অগাধ ভালোবাসা। তার প্রয়া’ণের পর তাঁর প্রিয় পো’ষ্য ফাজ তা আমরা সবাই দেখেছি। প্রভুর চলে যাওয়াতে প্রচন্ড পরিমানে হতা’শাগ্র’স্ত হয়ে গিয়েছিল ফাজ।

তারপর তার দায়িত্ব নেয় সুশান্তের পরিবার। বর্তমানে সুশান্তের দিদি নিতু সিং এর বাড়িতেই সুশান্তের প্রিয় পোষ্য ফাজকে যত্নসহকারে প্রতিপালন করছে সুশান্তের পরিবার। কিন্তু আমরা অনেকেই জানিনা ফাজ ছাড়াও আরো তিনজন পো’ষ্য আছে সুশান্তের।

রটউ’ইলার প্রজাতির তিনটি কু’কুর সুশান্তের লোনাভালায় ফার্ম হাউসে থাকে। তাদের তিনজনের নাম যথাক্রমে অমর, আকবর, এন্টনি। সময়-সুযোগ পেলেই সুশান্ত মুম্বাই শহরের কোলাহল থেকে দূরে লোনাভালায় চলে যেতেন তার প্রিয় পোষ্যদের সাথে সময় কাটাতে।

কিন্তু প্রভুর অকাল প্র’য়াণে আন্দাজ করতে পারেন না ঐদিন সারমেয়। সংবাদ সংস্থা আইএএনসকে এই ফার্ম হাউজের কেয়ার টেকার জানিয়েছেন দীর্ঘদিন সুশান্তের দেখা না পেয়ে মন খারাপ তাঁদের। তাই ভালো কোনও পরিবারের হাতে এদের তুলে দিতে চান তিনি।

কেয়ারটেকার জানিয়েছেন, যখন ১৪ জুন দুপুরে আমি সুশান্ত স্যারের প্রয়া’ণের খবর দেখলাম আমি তো শুরুতে বিশ্বাসই করতে পারিনি যে চোখে কী দেখছি! একদিন আগেই তো আমাকে উনি টাকা পাঠালেন, ওঁনার তিনটি সারমেয় অমর, আকবর, অ্যান্টনির দেখাশোনার জন্য’।

এখানে সুশান্ত শেষ কবে এসেছিলেন? সংবাদমাধ্যমের এই প্রশ্নের উত্তরে রইস বলেন, ‘মার্চ মাসের পরেই সুশান্ত দু-তিন মাস এখানে থাকার পরিকল্পনা করেছিলেন বটে, জানিয়েছিলেন সে কথা, তবে লকডাউন শুরুর পর আর আসেননি।

রইসের কথায় রিয়া এবং তাঁর বাবা ইন্দ্রজিত্ চক্রবর্তীর জন্মদিন পালন হয়েছে এই ফার্ম হাউজে। কেয়ারটেকার জানায়, জানুয়ারিতে রিয়াকে নিয়ে এসেছিলেন এখানে, নিজের জন্মদিনের সময়। স্যামুয়েল মিরান্ডা, শ্রুতি মোদীরাও এসেছিল। ফেব্রুয়ারি মাসের শেষ সপ্তাহেই শেষ লোনাভালায় যান সুশান্ত।’