মাস গেলে ৭০ হাজার টাকা বেতন! এদিকে স্কুল বানান লিখতে অক্ষম সরাকরি শিক্ষিকা, তুমুল ভাইরাল ভিডিও

বিহারের সরকারি বিদ্যালয়ের বর্তমান অবস্থা কিরূপ তা জানার জন্য খবরের চ্যানেল গুলো প্রায়শই বিভিন্ন সমীক্ষা চালিয়ে থাকে। এমনই একটি সমীক্ষায় উঠে এলো চাঞ্চল্যকর তথ্য। শুনে সকলেই নিশ্চয়ই ভাবছেন যে কি সেই তথ্য। চলুন আজ সেই বিষয়ে বলা যাক।

বিখ্যাত নালন্দা ছোটি পাহাড়ি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সরকারি শিক্ষকদের কর্মকান্ডে অবাক হতে হয়েছে।এই বিদ্যালয়ের একজন শিক্ষক হলেন বিরেন্দ্র কুমার সিংহ। তিনি পলিটিক্যাল সায়েন্সে মাস্টার ডিগ্ৰি অর্জন করেছেন।এই বিদ্যালয়ে তিনি প্রথম শ্রেণী থেকে পঞ্চম শ্রেণী পর্যন্ত শিক্ষার্থীদের পড়ান।

শ্রেণীকক্ষে শিক্ষার্থীদের পাঠদান করছিলেন। হিন্দি থেকে ইংরেজি ভাষার পরিবর্তন করা শেখাচ্ছিলেন।এমন সময় খবরের চ্যানেলের কতৃপক্ষ গিয়ে হাজির হন সেখানে।তাঁর ভুল হাতে নাতে ধরা পড়ে যায়। কিন্তু তিনি নিজের শিক্ষাগতা সম্পর্কে বড়াই করতে শুরু করেন এবং কোনো ভাবে তার ভুল গুলোকে ধামাচাপা দিয়ে পাস কাটিয়ে যান।

নিজের অসম্পূর্ণ জ্ঞান সম্পর্কে কোনো লজ্জিত বোধ পর্যন্ত করেননি। বিহারের অপর এক সরকারি বিদ্যালয়ের একজন শিক্ষিকা হলেন নিলাম কুমার, মেট্রিক পাস। তিনি চতুর্থ এবং পঞ্চম শ্রেণীর পড়ুয়াদের বিঞ্জান ও গণিত পড়ান।এর পাশাপাশি ষষ্ঠ শ্রেণীর পড়ুয়াদের সোশ্যাল সায়েন্স পড়ান।

তাকে অতি সাধারণ হিন্দি বানান লিখতে বলায় তার অবস্থা খারাপ হয়ে যায়। উপরন্তু ভাবতে বসেন। শেষমেষ সঠিক বানান লিখতে পারেন না।ভাবা যায়! বিহারের পর গয়ার এক প্রাথমিক বিদ্যালয়ে শিক্ষিক- শিক্ষিকাদের রিয়েলিটি টেস্ট নেওয়া হয়।

সেখানকার এক শিক্ষিকা হলেন ফুলবন্তী দেবী, তিনি ঐ বিদ্যালয়ে বিগত সাত বছর ধরে শিক্ষার্থীদের শিক্ষা দান করছেন। প্রথম ও দ্বিতীয় শ্রেণীর পড়ুয়াদের হিন্দি ও গণিত পড়ান তবে কখনো কখনো প্রয়োজন হলে চতুর্থ ও পঞ্চম শ্রেণীর পড়ুয়াদেরও পড়ান এমনটাই জানান তিনি নিজেই। তাকে অতি সাধারণ কিছু প্রশ্ন করা হয়।

যেমন- ১ থেকে ১০০ এর মধ্যে কতবার ৯ সংখ্যাটি আসে? দুজন লেখকের নাম প্রভৃতি। কিন্তু এই প্রশ্ন গুলোর একটিরও সঠিক উত্তর দিতে পারেন নি। বুঝতেই পারছেন যে দেশের ভবিষ্যৎ কি হতে চলেছে! শিক্ষার্থীদের যথাযথ ভাবে শিক্ষাদান না করা হলে তাদের জ্ঞান অর্জনেও খাদ থেকে যাবে।ফলে ভবিষ্যতে তাদের অসুবিধায় পড়তে হবে।এই কারণেই সমাজ দিন দিন পিছিয়ে পড়ছে।