ঘরের মধ্যে এক বিশাল বিষধর কোবরা সাপের সাথে তুমুল লড়াই করছে কুকুর, রইলো ভাইরাল ভিডিও

সাম্প্রতিক সোশ্যাল মিডিয়ায় এক সাপ ধরার ভিডিও ব্যাপক ভাইরাল হয়েছে। ভিডিওটি দেখুন গা শিউরে উঠছে সকলের। ভিডিওটিতে দেখা গিয়েছে যে, রান্না ঘরের ভিতরে ঢুকে গিয়েছে বিশাল আকৃতির এক কোবরা।

তাকে ঘর থেকে বের করে আনতে হিমশিম খেয়ে গেলেও বাড়ির লোকজন সহ সাপ ধরতে আসা এক ব্যক্তি। ঘরে সাপ ঢুকে গিয়েছে দেখেই ওই ব্যক্তিকে ডেকে আনা হয়েছিল সাপটিকে ধরার জন্য।

সাপ ধরতে এসেছিলেন তিনি। ভিডিওটি প্রথমে দেখা যায়, প্রত্যন্ত এলাকার একটি পাকা বাড়ির মধ্যে প্রবেশ করেন সাপ ধরতে আসা ঐ ব্যক্তি। ঘরের ভিতরে গিয়ে তন্ন তন্ন করে তিনি সাপটিকে খুঁজতে থাকেন।

রান্নাঘরের অবস্থা দেখে মনে হচ্ছে আগে এই ঘরে কেউ বা কারা সাপ খোঁজার চেষ্টা করে গিয়েছেন। কিন্তু সম্ভবত সাপটিকে দেখতে পাননি তারা।

তাই ডেকে আনা হয়েছে এই ব্যক্তিকে। রান্না ঘরের মধ্যে থাকা একটি ফ্রিজের নিচে লুকিয়ে ছিল সাপটি। একটি লাঠি করে খোঁচা দিতেই ব্রিজের নিচে থেকে বেরিয়ে পালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা সে।

কিন্তু সাপ ধরতে আসা ওই ব্যক্তি যথেষ্ট সাহসী। তিনি কোনভাবেই সাপটিকে পালিয়ে যেতে দেননি। অসাধারণ কায়দায় সাপটির লেজ ধরে ফেলেন তিনি।

সঙ্গে সঙ্গে সাপটি ঘুরে গিয়ে থাকে ছো”বল মারতে চেষ্টা করে। ওই ব্যক্তি ভয় পেয়ে সাপটিকে ছেড়ে দেন। কিন্তু মুহূর্তের মধ্যে আবারও সাপের লেজ ধরে ফেলেন তিনি।

সেই সময় ঘরের ভেতর হঠাৎ করেই ঢুকে যায় একটি কুকুর। ঘরে থাকা লোকজন কুকুরটিকে সেখান থেকে তাড়িয়ে দেয়। প্রচন্ড রেগে গিয়ে সাপটি হঠাৎ করে ছোবল মেরে বসে সাপ ধরতে আসা ওই ব্যক্তির পায়ে।

কিন্তু তিনি যেহেতু বুট জুতো করেছিলেন তাই কোন বিপদ-আপদ ঘটেনি। সাপ উদ্ধার করার এই দৃশ্য দেখতে প্রচুর জনসমাগম হয়েছিল ওই বাড়িতে।

কেউ কেউ আবার মোবাইল ফোন বের করে ক্যামেরাবন্দি করে নেন সাপ ধরার এই বুড়ো ভিডিও। এরপর ওই ব্যক্তি সাপটিকে ধরে ঘরের থেকে বাইরে নিয়ে আসেন।

এরপর ওই ব্যক্তি জানান, এই সাপ কা”মড়ালে পক্ষাঘাত ঘটে। মির্জা মোহাম্মদ আরিফ নামক জনৈক ব্যক্তি নিজের ইউটিউব চ্যানেল থেকে সাম্প্রতিক এই সাপ ধরার ভিডিওটি পোস্ট করেছেন।

ঝড়ের গতিতে ভাইরাল হয়ে গিয়েছে এই ভিডিও। আড়াই মিলিয়ন দর্শক ইতিমধ্যেই ভিডিওটি দেখে নিয়েছেন। ১০ হাজার লাইক পড়েছে ভিডিওটিতে।

সাপ ধরার এমনই কত ভিডিও সোশ্যাল মিডিয়ায় আমরা প্রত্যহ ভাইরাল হতে দেখি। সঠিক প্রশিক্ষণ না থাকলে সাপ ধরা প্রচন্ড বিপজ্জনক হতে পারে।