ডিজিটাল মাধ্যমে পঞ্চায়েত ব্যাবস্থা পরিচালনা প্রশংসার, মমতার বাংলা সরকারকে পুরস্কৃত করল কেন্দ্র

মমতা সরকারের মুকুটে এবার নতুন পালক যুক্ত হলো। পঞ্চায়েত স্তরে ডিজিটালভাবে কার্য পরিচালনা এবং তাতে মানুষের উপকৃত হওয়ার বিষয়টি যথেষ্ট দক্ষতার সঙ্গে পালন করছে রাজ্য প্রশাসন।

এবার সেই কাজের স্বীকৃতি মিলল। পঞ্চায়েত ব্যবস্থায় ই-গভর্নেন্সের নিরিখে ২৮টি রাজ্যের মধ্যে তৃতীয় স্থান পশ্চিমবঙ্গের। পঞ্চায়েতমন্ত্রী সুব্রত মুখোপাধ্যায় সোমবার সাংবাদিক বৈঠক করে এই কথা ঘোষণা করলেন।

বিগত দুবছর ধরে ক’-রো’না সংক্রমনের জেরে দিনরাত এক করে কাজকর্ম সামলে চলেছেন পঞ্চায়েত দপ্তরের কর্মীরা। পঞ্চায়েত ব্যবস্থা সুষ্ঠুভাবে পরিচালিত হয় তার জন্য ডিজিটাল মাধ্যমের ওপর ভরসা রেখেছে রাজ্য প্রশাসন।

ডিজিটালাইজেশনের ফলে কাজের দিকে স্বচ্ছতা আসার পাশাপাশি, সাধারণ মানুষের কাছে পরিষেবা পৌঁছে গিয়েছে। এই প্রথাকে সসম্মানে স্বীকৃতি দিল কেন্দ্র।

পঞ্চায়েত মন্ত্রী সুব্রত মুখোপাধ্যায় সোমবার পঞ্চায়েত ভবনে আয়োজিত সাংবাদিক বৈঠকে পুরস্কার পাওয়ার কথা ঘোষণা করলেন। কেন্দ্রের মোদি সরকারে পঞ্চায়েত দপ্তর বিষয়ক মন্ত্রী নরেন্দ্র সিং তোমরের পাঠানো মানপত্র সকলের সামনে তুলে ধরেন মন্ত্রী সুব্রত মুখোপাধ্যায়।

সুব্রত মুখোপাধ্যায় এদিন আরোও বলেন, “পঞ্চায়েত ব্যবস্থায় ই-গভর্নেন্সের দেশের মধ্যে তৃতীয় স্থান দখল করেছে পশ্চিমবঙ্গ সরকারের পঞ্চায়েত বিভাগ।

তার জন্যই কেন্দ্র সরকার পঞ্চায়েত দপ্তরের পুরস্কারস্বরূপ মানপত্র পাঠানো হয়েছে।” তিনি আরো বলেন, ঘূর্ণিঝ’ড়ে ক্ষ’তিগ্র’স্ত মানুষের পাশে দাঁড়াতে ১০০ দিনের কাজের জোগান দিতে তৎপর পঞ্চায়েত প্রশাসন।

প্রসঙ্গত, তৃণমূল সরকারের নেতৃত্বাধীন সুন্দরবন এলাকার এক পঞ্চায়েত দেশে সেরার পুরস্কার পেয়েছে। পাথরপ্রতিমার দিগম্বরপুর দেশের আড়াই লক্ষ পঞ্চায়েতের মধ্যে সেরার সেরা।

শনিবার কেন্দ্রীয় সরকার সেরা গ্রাম পঞ্চায়েত হিসেবে পাথর প্রতিমার দিগম্বরপুরের নাম ঘোষণা করেছে। একসঙ্গে পুরস্কৃত হয়েছে বর্ধমান, বীরভূম ও পুরুলিয়ার বেশ কয়েকটি গ্রাম পঞ্চায়েত ও পঞ্চায়েত সমিতি। ফলস্বরূপ উচ্ছ্বসিত তৃণমূল কংগ্রেস নেতৃত্ব।