গোটা বিশ্বকে তাক লাগিয়ে একদিনের জন্য প্রধানমন্ত্রী হলেন মাত্র১৬বছরের তরুণী, মুগ্ধ গোটা বিশ্ব

নেতা মন্ত্রীদের নিয়ে সাধারন মানুষের ক্ষোভের শেষ নেই।তাদের বক্তব্য ভোটের সময় একমাত্র তাদের দেখা যায়, কিন্তু অন্য বছরের অন্যান্য দিনে হাজার সমস্যা থাকলেও তা সমাধানের জন্য তাদের কাউকেই পাওয়া যায় না।

এছাড়া দেশের দু’র্নীতি নিয়েও তাদের অভিযোগের শেষ নেই। এই প্রসঙ্গে বলিউডের বিখ্যাত পরিচালক এস শংকর পরিচালিত একটি উল্লেখযোগ্য সিনেমা হল “নায়ক”, এই সিনেমায় দেখা গেছিল রিপোর্টার অনিল কাপুর কে মুখ্যমন্ত্রীর ভূমিকায় থাকা অমরেশপুরি একদিনের জন্য প্রধানমন্ত্রী করেছিলেন।

কিন্তু বাস্তবে এরকম কি আদৌ সম্ভব? এরকম ঘটনা সত্যি মানুষের কল্পনার বাইরে। কিন্তু ফিনল্যান্ডে এমনই এক আশ্চর্য ঘটনার সাক্ষী রইল গোটা বিশ্ব। একদিনের জন্য ফিনল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী হলেন 16 বছরের কিশোরী আভা মূর্ত।

অবিশ্বাস্য হলেও ঘটনাটি সত্যি।বুধবার নারীদের অধিকার সম্বন্ধে সাধারণ মানুষকে সচেতন করতে একদিনের জন্য ফিনল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী সানা মারিন তার নিজের ক্ষমতা দিয়েছিলেন দক্ষিণ ফিনল্যান্ডের ভাস্কির বাসিন্দা আভা কে। প্রধানমন্ত্রী হয়ে দায়িত্ব পাওয়ার পর মিডিয়ার প্রতিটি প্রশ্নের যুক্তিপূর্ণ উত্তর দেন আভা। এর পরে তিনি মন্ত্রিসভার একটি বৈঠক করেন। 16 বছরের তরুণী প্রশাসনিক দক্ষতা মুগ্ধ বিশ্ববাসী।

ফিনল্যান্ড এমন একটি দেশ যেখানে নারী পুরুষের সমান অধিকার।শুধু সামাজিকভাবে নয় মানসিক ও শারীরিকভাবে ও নারী ও পুরুষ ফিনল্যান্ডের সমানভাবেই সব কাজে অংশগ্রহণ করে। কিন্তু প্রযুক্তিগত দিক থেকে ফিনল্যান্ডের মহিলারা আজও কিছুটা অন্যান্য দেশের তুলনায় পিছিয়ে, তাই তাদের সচেতন এর জন্যই এত বড় পদক্ষেপ নিলেন ফিনল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী।

সানা মারিন এর কথায় দেশের তরুণ প্রজন্মকে তার দেশ সম্পর্কে জানতে হবে প্রশাসনিক দক্ষতা সামরিক ও অসামরিক ব্যবস্থাপনা সম্পর্কে ও তাদের জ্ঞান অর্জন করা উচিত। তরুণরাই দেশের ভবিষ্যৎ। ফিনল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রীর এ ধরনের পদক্ষেপ কে কুর্নিশ জানিয়েছে সমস্ত বিশ্ব।

এদিন অভা মূর্ত জানান, মাত্র এক দিনেই অনেক কিছু শিখেছেন তিনি। মন্ত্রিসভার সদস্যরা এবং স্বয়ং প্রধানমন্ত্রী তাকে এই বিষয়ে অনেক অনেক সাহায্য করেছে বলেও জানিয়েছেন তিনি। এত বড় দায়িত্ব সন্মানের সাথে পালন করতে চান তিনি।

প্রসঙ্গত ফিনল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী সানা মেরিন যখন দায়িত্ব সামলাও তখন তিনি বিশ্বের কনিষ্ঠতম প্রধানমন্ত্রী ছিলেন। মহিলাদের প্রযুক্তি ক্ষেত্রে উন্নতির পাশাপাশি অন্যান্য সব বিষয়ে তাদের উৎসাহিত করতে তাঁর এই পদক্ষেপ, বক্তব্য রেখেছেন তিনি।রবিবার রাষ্ট্রসংঘ “ইন্টার্নেশনাল ডে অফ গার্ল চিল্ড্রেন” হিসেবে পালন করেছিল।