রূপে লক্ষী, গুনে IPS অফিসার! সোশ্যাল মিডিয়া কুইন আজ IPS অফিসার

বুদ্ধিমতী এবং সুন্দরী। এই উপমাটি বিল’ক্ষণ তাঁর সঙ্গে জুতসই। “রূপে লক্ষ্মী গুণে সরস্বতী” বোধহয় একেই বলে! সোশ্যাল মিডিয়ায় এখন মো’স্ট সার্চড নামগুলোর মধ্যে একটি।

২০১৭ সালের বিহার ক্যাডারের আইপিএস অফিসার এখন পটনার ডিএসপি। সুন্দরী আইপিএসের যে কোনও পো’স্ট সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল হয়ে যায়।

অঙ্কের কঠিন সমস্ত সমস্যা নিমেষে পরীক্ষা খাতায় সমাধান করে ফেলেন। শুধু অঙ্কই বা কেন? ইংরাজি, ভূগোল, ইতিহাস, দেশের সংবিধান প্রায় সমস্ত বিষয়েই তাঁর জ্ঞান ঈ’র্ষ’ণীয়।

বইয়ের পাতায় তাঁর অবাধ বিচরণের পাশাপাশি নেটমাধ্যমের পাতাতেও পরিচিত মুখ তিনি। ব্য’ক্তিগত জীবনের চেয়ে কাজকে বেশি প্রাধান্য দিয়ে থাকেন নভজ্যোৎ।

তবে নিজের বিয়ে নিয়ে যা করলেন, তা রীতিমতো উদাহরণ হয়ে থেকে যাবে। পঞ্জাবের মেয়ে নভজ্যোৎ বিবাহবন্ধনে আ’বদ্ধ হলেন ২০১৫ ওয়েস্ট বেঙ্গল ক্যাডারের আইএএস অফিসার তুষার সিঙ্গলার সঙ্গে।

বর্তমানে দুজনা দূর রাজ্যে নিজেদের কর্তব্য পালন করছেন। পশ্চিমবঙ্গে একুশের নির্বাচন মিটে গেলে স্ত্রী’কে আমি নিয়ে চলে আসবেন বলে ও জানিয়েছিলেন স্বামী তুষার।

এক সময় ডেন্টিস্ট ছিলেন নভজ্যোৎ। তবে চি’কিৎ’সকের কাজ তাঁকে টানত না। শেষ পর্যন্ত আইপিএস হওয়ার লক্ষ্যে শুরু হয় তাঁর অভিযান।

প্রথম চেষ্টাতেই আইপিএস হওয়া মুখের কথা নয়। ২০১৬ সালে তিনি প্রথমে পিসিএস (পঞ্জাব সিভিল সার্ভিস) অফিসার হন।

তার পরের বছরই তিনি আইপিএস পরীক্ষায় পাশ করেন। গোটা দেশের মধ্যে ৭৩৪ র‌্যাঙ্ক করেন নভজ্যোৎ। বর্তমানে তিনি পটনায় কর্মরত।

ভারত পু’রুষ’তা’ন্ত্রিক সমাজের অন্তর্গত, এই ভাবনা দীর্ঘদিন আগেই ভুল প্রমাণ করে দিয়েছে দেশের মেয়েরা। এখনকার মেয়েরা একটি পুরুষের সাথে পাল্লা দিয়ে জীবন-জীবিকা অতিবাহিত করে। তারা আর পিছিয়ে নেই।

কঠিন থেকে কঠিনতম চাকরির ক্ষেত্রে এখন দেখা যায় মেয়েদের। তারা কোন পরিস্থিতিতে পিছিয়ে আসতে রাজি নয়। কারণ এখন সবাই ছেলে বা মেয়ের মধ্যে পার্থ’ক্য করা থেকে বি’রত হয়েছে।

পুলি’শ, নে’ভি, আ”র্মি এখন সব জায়গাতে মেয়েদের দেখা যায়। তাই নভজ্যোৎ সিমি ভারতীয় না’রী’দের কাছে অনু’প্রে’রণা হয়ে দাঁড়িয়ে আছে।