পূজার মণ্ডপকেও রাজনৈতিক আখড়া করতে হলো? নরেন্দ্র মোদি কে প্রশ্ন সুজনের

গতকাল অর্থাৎ মহা ষষ্ঠীর দিন দিল্লি থেকে ভার্চুয়াল ভাবে পুজো মণ্ডপের উদ্বোধন করেছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। এই নিয়ে আলোচনা-সমালোচনা শেষ নেই পশ্চিমবঙ্গের রাজ্য রাজনীতিতে।

বিরোধীপক্ষের প্রায় সকলেই সমালোচনা করেছেন প্রধানমন্ত্রীর। সেই বিষয়ে সামনে এসেছে বামপন্থী নেতা সুজন চক্রবর্তীর মন্তব্য। রীতিমতো নিজের বক্তব্যে প্রধানমন্ত্রী কে তীব্র আ’ক্র’মণ করেন তিনি। তার প্রশ্ন, ‘‌পুজোমণ্ডপের উদ্বোধন বা তাকে কেন্দ্র করে ভার্চুয়াল ভাষণ সেটাকেও কি রাজনৈতিক আখড়া করতে হল?’‌

বাঙালির ঐতিহ্য বলতে পারেন বা আবেগ সবটাই দুর্গাপুজোকে ঘিরে অনেকখানি বেষ্টিত।দুর্গাপুজোর কৌলিন্য ম্লান করে বাঙালির সবচেয়ে বড় উৎসবকে কলূষিত করেছে বিজেপি। এই অভিযোগ তুলে সুজনবাবু বলেন, ‘‌বিজেপি–র ভাবমূর্তি হালকা হতে হতে কোথায় গিয়েছে?‌ পুজোমণ্ডপেও রাজনীতি করার সুযোগ ছাড়ছে না।’‌

ভার্চুয়াল দুর্গাপূজা উদ্বোধনের সমালোচনা করতে গিয়ে এদিন রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কেও আ’ক্র’মণ করেছেন সুজন চক্রবর্তী। তিনি বলেন, ‘‌যেভাবে মুখ্যমন্ত্রী কলকাতায় বসে কোচবিহারের পুজোর উদ্বোধন করেছেন তাতে কিন্তু পুজোর মর্যাদা নষ্ট হয়। এবার সেই পথেই হাঁটলেন প্রধানমন্ত্রী।’‌

এই দিন হঠাৎ এই বাংলার প্রশংসায় একেবারে পঞ্চমুখ হয়ে উঠেছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী হঠাৎ কেন তার এই বাঙালি প্রীতি তার ওপরও প্রশ্ন তুলেছেন সুজন চক্রবর্তী। তবে কি একুশের বিধানসভা ভোটে তার প্রকৃত কারণ এ ব্যাপারেও জল্পনা রয়েছে বিরোধী মহলে।

এ ব্যাপারে মুখ খুলে সুজন চক্রবর্তী বলেন,‘‌প্রধানমন্ত্রী জানেন যে বাংলা ও বাঙালির সংস্কৃতির বিরুদ্ধে বিজেপি। তাই বাংলা নিয়ে এত কিছু বললেন তিনি। তবে পুজোমণ্ডপকে রাজনৈতিক আখড়া হিসেবে ব্যবহার করতে গিয়ে এদিন ধরা পড়ে গিয়েছেন তিনি।’‌