ক্রোনি জীবী’রা দেশ বেচে দিচ্ছেন, নাম না করে মোদিকে তোপ রাহুল গান্ধীর

কেন্দ্রীয় প্রতিরক্ষামন্ত্রী রাজনাথ সিং দু’দিন আগেই সাংসদে ঘোষণা করেছিলেন যে পূর্ব লাদাখের প্যাংগং হ্রদের উত্তর ও দক্ষিণ তীরে ভারত ও চিন সেনা সরানো নিয়ে একটি চুক্তিতে পৌঁছেছে দেশ। তবে রাহুল গান্ধী ফের সরব হয়েছে গোটা ঘ’ট’নাটি নিয়ে।

চিনকে কেন এলাকা ছেড়েছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী, সেই নিয়ে সরাসরি আ-ক্র-মণ করলেন সোনিয়া-পুত্র। তিনি বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রী কাপু’রুষ এবং চিনকে ভারতীয় এলাকা ছেড়ে দিয়েছেন’।

সোমবার রাজ‌্যসভায় রাষ্ট্রপতির ভা’ষণের উপর জবাবি বক্তৃতায় নতুন সম্প্রদায়, ‘আ’ন্দো’লনজীবী’র উল্লেখ করেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। তাঁর লক্ষ‌্য সেই বিরো’ধীরা, বিশেষ করে কংগ্রেস, যারা কৃষক আ’ন্দোল’নকে সম’র্থন জানিয়ে তাঁদের পাশে দাঁড়িয়েছে।

মঙ্গলবারই এই প্রসঙ্গে সরব হয়ে প্রধানমন্ত্রীকে আ-ক্র’ম’ণ করেন এনডিএ জোটের সদ‌্য প্রাক্তন শরিক শিরোমণি অকালি দল সাংসদ হরসিমরত কৌর। এদিন টুইটে হিন্দিতে প্রাক্তন কংগ্রেস সভাপতি রাহুল লেখেন, ‘ক্রোনি-জীবী তারা, দেশ বেচছে যারা।’

উল্লেখ‌্য, ‘ক্রোনি পুঁজিবাদ’ শব্দটি রাজ’নীতিতে খুব কমই ব‌্যবহার হয়ে থাকে। সাধারণভাবে ‘দল বেঁধে লু’ঠপা’ট বোঝাতে শব্দটি ব‌্যবহার হয়।

‘দ্য ইকোনমিস্ট ১’-এর সংজ্ঞায় ক্রনি ক্যা’পিটালিজম হল সেই বন্দো’বস্ত, যার মাধ্যমে পুঁজিপতিরা রাজ’নীতিকদের কাছ থেকে মূল্যবান স’ম্পদ লাভ করে থাকে। ক্রোনি ক্যাপি’টালিজম মতবাদের সূচনা ১৯৯৮ সাল থেকে।

ইন্দোনেশিয়ার সাবেক প্রেসিডেন্ট সুহার্তো তাঁর শা’স’নকালে নিয়ম ভে’ঙে তাঁর পরিবারের সদস্য, আ’ত্মীয়স্ব’জন ও দলীয় লোকদের বড় বড় ব্যবসা ও প্রকল্পের কাজ ভাগ করে দেন। এতে দেশটিতে খুব অল্প সময়ের মধ্যে একটি ধনিক গো’ষ্ঠীর জ’ন্ম হয়।

সাম্প্রতিক অতীতে বারবার কেন্দ্রের বি’রু’দ্ধে ‘বন্ধু শিল্পপতিদের’ সুবিধা পাইয়ে দেওয়ার অভি’যোগ এনেছেন কংগ্রেস ও অন‌্যান‌্য বি’রোধী দল। এদিন সেই সুরেই নাম না করে সরকারকে কটা’ক্ষ করলেন রাহুল।

তার আগেই অবশ‌্য নিজেকে ‘গর্বিত আ’ন্দো’লনজীবী’ বলেন প্রাক্তন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী পি চিদম্বরম। তাঁর টুইট, ‘আমি একজন গ’র্বিত আ’ন্দো’লনজীবী। যার সব থেকে বড় উদা’হ’রণ মহাত্মা গান্ধী।’

অনেকেই টুইটার-সহ অন‌্যান‌্য সোশ‌্যাল মিডিয়ায় নিজেদের নামের আগে ও পরে আ’ন্দো’লনজীবী জোড়েন। বিজেপি নেতাদের আবার নিজেদের মতো করে আ’ন্দো’লনজীবীর সং’জ্ঞা লিখতেও দেখা গেল এদিন।

প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর বিরু’দ্ধে আ-ক্র’ম’ণ শানাতে বৃহস্পতিবার স্লো’গান ‘হম দো হামারে দো’ উল্লেখ করেছিলেন রাহুল গা’ন্ধী।

এদিন সং’সদে কটা’ক্ষের সুরে প্রাক্তন কং’গ্রেস সভাপতি বলেন, ‘আপনাদের সকলের মনে আছে নিশ্চয়, আমরা পরিবার পরিকল্পনার জন্য বলি ‘হাম দো হামারে দো’। এই সরকারের কাছে ওই স্লো’গানের নতুন মানে রয়েছে। দেশ চালাচ্ছেন চারজন। হাম দো হামারে দো’।