প্রতিশ্রুতি রাখেননি মোদি, বিজেপি ছেড়ে মমতাকে সমর্থন গুরুঙ্গ-এর

তিন বছরের অজ্ঞাত বাস ছেড়ে প্রকাশ্যে বি’স্ফো’রক মন্তব্য করলেন পাহাড় খ্যাত গোর্খা জনমুক্তি মোর্চার নেতা বিমল গুরুং। বিজেপিকে প্রত্যাখ্যান করে এবার তৃণমূলে যোগ দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন তিনি।

তিনি বললেন,’নরেন্দ্র মোদী, অমিত শাহেদের সঙ্গে ছিলাম। কিন্তু কোনও প্রতিশ্রুতি রাখেননি তাঁরা। ৬ বছর হয়ে গেল। তাই এবার তৃণমূলের সঙ্গে মিলে ওনাদের জবাব দেব। ২০২১-এ তৃণমূলকে সমর্থন করব আমরা।’

পঞ্চমীর বিকেলে হঠাৎই কলকাতায় উদয় হন বিমল গুরুং,সঙ্গে ছিলেন তাঁর সহযোগী রোশন গিরি। গুরুঙ্গের বিরুদ্ধে রয়েছে রাষ্ট্রদ্রোহিতার মামলা। রাজ্য পুলিশের কাছে তিনি বহুদিন ধরে মোস্ট ওয়ান্টেড।

তিনি ফেরার তিন বছর ধরে। বহুদিন ধরে দার্জিলিং পাহাড়ে ফেরা হয়নি তাঁর। সেই বিমল গুরুঙ্গই এবার কলকাতায় প্রকাশ্যে এসে বড় ঘোষণা করলেন।তবে, ইউএপিএ ধারায় যার বিরুদ্ধে মামলা, তিনি এভাবে প্রকাশ্যে কেন? তাঁর দাবি, ‘আমি দেশদ্রো’হী নন। এটা পলিটিক্যাল ব্যাপার। তাই পলিটিক্যালি মেটাতে চাইছি।’গুরুং বলেন, তিন বছর দিল্লিতে থাকলেও গত ২ মাস ঝাড়খণ্ডে ছিলেন তিনি।

সেইসঙ্গেই তিনি বলেন, ‘মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় যা কথা দিয়েছিলেন, তাই রেখেছেন। কিন্তু মোদীরা তা করেননি।’ তবে, গোর্খাল্যান্ড দাবি তিনি ছাড়বেন না বলে আবারও দাবি করেছেন। সেই সূত্রেই ২০২৪-এর লোকসভা ভোটে যাঁরা গোর্খাল্যান্ড ইস্যু সমর্থন করবে, তাঁদের আবার সমর্থন করবেন বলে দাবি তাঁর।

গুরুঙ্গের অবশ্য আপাতত মন্তব্য, ‘বাংলার শাসন দেখলাম, কেন্দ্রের শাসন দেখলাম। কেন্দ্রে প্রধানমন্ত্রী, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী কোনও কথাই রাখেননি। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় কিন্তু যতটুকু বলেছেন করেছেন,

বেশ কিছুদিন ধরেই পাহাড়ের রাজনীতি একাংশের দাবি ছিল রাজ্য সরকারের সাথে নাকি সমঝোতা করতে তৎপর বিমল গুরুং বাস্তব সেটাই হলো। অন্যদিকে বিমল গুরুংয়ের অনুপস্থিতিতে পাহাড়ে উঠে এসেছিলেন বিনয় তামাং। বর্তমানে বিমল গুরুং রাজ্য সরকারের সাথে সমঝোতা করলে পাহাড় বেশ উজ্জ্বল হতে পারে এমনটাই মনে করা হচ্ছে।