“প্রধানমন্ত্রী বাঙালিদের পছন্দ করেন না”, মোদিকে আক্রমণ বাবুলের

গেরুয়া শিবির ছেড়ে ঘাসফুল শিবিরে নাম লিখিয়েছেন একসময় প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির নয়নের মনি বাবুল সুপ্রিয়। এবার প্রধানমন্ত্রীর বিরুদ্ধে আক্রমন করে বসলেন বাবুল।

আসানসোলের সাংসদ বলেন, “আমার মনে হয়, প্রধানমন্ত্রী বাঙালিদের পছন্দ করেন না। তাই গত ৭ বছরে বাংলা থেকে একজনও পূর্ণমন্ত্রী হননি।” ছেড়ে কথা বলেনি বিজেপি। বাবুলের বিরুদ্ধে তোপ দেগেছে তারাও।

বাবুলের মতে, “আমার মনে হয়, প্রধানমন্ত্রী বাঙালিদের পছন্দ করেন না। তাই গত ৭ বছরে বাংলা থেকে একজনও পূর্ণমন্ত্রী হননি। ভোটে জিতে আসা বাঙালিদের প্রতি অসামঞ্জস্যপূর্ণ আচরণ করা হচ্ছে।” আর এক বিজেপি সাংসদের কথাও এদিন টেনে আনলেন বাবুল সুপ্রিয়।

বর্ধমান-দুর্গাপুরের সাংসদ সুরিন্দর সিং আলুওয়ালিয়া দলে সম্মান পাচ্ছে না বলে দাবি তাঁর। তিনি বলেন, “আমার নিজের কথা বলছি না। আলুওয়ালিয়াজিও অনেক প্রবীণ মানুষ। কংগ্রেস ছেড়ে বিজেপিতে গিয়েছেন। ওঁকেও তো কোনও স্বাধীন মন্ত্রক দেওয়া হয়নি।”

এদিন আসানসোলের সংসদ বাবুল সুপ্রিয় বলেন, “মানুষের জন্য কাজ করতে পারাই আসল। দিদির নেতৃত্বে তা করতে পারলে ভালই হবে।” বাবুল সুপ্রিয়র মন্তব্যের পাল্টা জবাব দিয়েছেন জয়প্রকাশ মজুমদার। তাঁর কথায়,”মন্ত্রিত্ব না পেয়ে তো দল ছেড়েছেন।

তখন মত-পথ সব এক ছিল। সবটাই ভাল লাগছিল। এখন তো অন্য কথা বলবেন-ই। উনি আসলে কিছুই জানেন না। দলটাই তৈরি করেছেন শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায়। সেই দলে বাঙালি বিদ্বেষ নিয়ে প্রশ্ন তোলা অনুচিত।”

বিজেপি ছেড়ে তৃণমূলে দিন কয়েক আগে যোগদান করেছেন বাবুল সুপ্রিয়। এতদিন পর্যন্ত প্রধানমন্ত্রী বা বিজেপি নেতৃত্বের বিরুদ্ধে কোনো মন্তব্য তিনি করেননি। দিল্লি থেকে ফেরার পর সেই রীতি ভাঙলেন বাবুল।

বাবুল বরাবরই প্রধানমন্ত্রী ঘনিষ্ঠ হিসেবে পরিচিত। ভোট প্রচারে এসে আসানসোলের সাংসদের হয়ে সওয়াল করে বলেছিলেন, “মুঝে বাবুল চাহিয়ে।” মন্ত্রিসভা রদলবদলের পর তাল করে। পূর্ণ মন্ত্রিত্ব পেলেনই না, পরিবর্তে প্রতিমন্ত্রীর পদ থেকে সরানো হয় বাবুলকে।