দেড় মাস আগেই চাকরির ঘোষণা করেছিলেন মুখ্যমন্ত্রী, শুরু হলো নিয়োগ

স্টাফ রিপোর্টার সুদীপ্তা দত্ত: বিগত অনেকদিন ধরে হাতির কবলে পড়ে অনেকেরই মৃত্যু ঘটেছে। এই সম্বন্ধে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ঘোষণা করেছিলেন যে যারা হাতি মামলায় মৃ*ত্যু’বরন করবে তাদের পরিবারের একজনকে চাকরি দেওয়া হবে।

সেই চাকরির নিয়োগের কথা দেড় মাস পরে হওয়ার কথা ছিল কিন্তু দেড় মাস আগেই চাকরি নিয়োগ শুরু হয়ে গিয়েছে। এই কাজ এখনও পর্যন্ত সম্পূর্ণ হয়নি শুধুমাত্র প্রথম দফার কাজ সম্পন্ন হয়েছে চাকরির নিয়োগের বিষয়ে।

প্রথম দফায় 443 জন পরিবারকে চাকরিতে নিয়োগ করা হয়েছে। 443 প্রত্যেক পরিবারকে চাকরি দেওয়া হয়েছে হোম গার্ডের। এই সম্বন্ধে প্রথম ঘোষণা করা হয়েছিল 6 অক্টোবর।

প্রশাসনিক বৈঠকের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বলেছিলেন হাতির কবলে কারণ মৃ*’ত্যু হলে সেই পরিবারের একজন কে স্পেশাল হোম গার্ডের চাকরি দেওয়া হবে।

একথা ঠিক বাস্তবে হাতির কবলে পড়ে কারণ মৃ*’ত্যু হলে সেই পরিবারের দিকে কেউ ফিরেও তাকায় না। তাই মুখ্যমন্ত্রী সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন যে পরিবারে হাতির কবলে মারা যাবে তাদের পরিবারকে আড়াই লক্ষ টাকা এবং একজন সদস্যকে চাকরি দেওয়া হবে।

এই প্রশাসনিক বৈঠক আরো বলেন যে, ঝাড়গ্রামে হাতির কবলে মৃ*ত্যুর ঘটনা বেশি দেখা যায়। এছাড়াও বাঁকুড়া মেদিনীপুর পুরুলিয়া অঞ্চলে এমন ঘটনা প্রায়ই দেখা যায়। উত্তরবঙ্গেও এই ঘটনার প্রবল, হাতির কবলে মৃ*ত্যু হয়েছে এই ঘটনা প্রায়শ্চ দেখা যায়।

6 অক্টোবর এই ঘোষণার পর চাকরির নিয়োগের কোন ঘটনা দেখা যায়নি। সম্প্রতি ২০ নভেম্বর একটি নোটিশ বের করা হয়েছে বনদপ্তর এর তরফ থেকে। বনদপ্তর থেকে এমনটাই জানা গিয়েছে 434 জন কে হোমগার্ডের পদে নিয়োগ করা হয়েছে।

তবে সব থেকে বেশি নিয়োগ করা হয়েছে জলপাইগুড়ি জেলা থেকে সেখান থেকে মোট 96 জনকে চাকরি দেওয়া হয়েছে হোমগার্ডের। উত্তরবঙ্গ ও দক্ষিণবঙ্গ থেকেও বনদপ্তর থেকে চাকরিতে নিয়োগ করা হয়েছে সেসব পরিবারে যাদের হাতির কবলে মৃ*’ত্যু হয়েছিল।