“ফুচকা খাবার ক্ষমতা নেই, ফুলকো লুচি খাবে”, অমিত শাহ কে তীব্র আ’ক্র’মণ মমতার

বঙ্গ সফরের দিনই কেন্দ্রীয় স্বরা’ষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহকে তী’ব্র আ’ক্র’মণ করলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। বৃহস্পতিবার সামাজিক প্রতিনিধিদের সম্মেলনে শাহকে ভা’ষার সংস্কৃতি নিয়ে আ-ক্র’মণ করেন মমতা।

তো’প দেগে বলেন, ”রাজনীতিতে সৌজন্য কখনও একতরফা হয় না। সারা’ক্ষণ আমাকে গা-লা’গাল করছে। দেশের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর মুখে এমন ভাষা মানায় না।”

বৃহস্পতিবার রাজ্যের স্বে’চ্ছাসেবী সংগঠনগুলিকে নিয়ে করা এক বৈঠকে মুখ্যমন্ত্রী অভি’যোগ করেন, বিজেপির কেন্দ্রীয় নেতারা তাঁকে ক্ষমতা থেকে সরানোর জন্য ভ’য় দেখানোর চেষ্টা করছেন।

সেই সঙ্গে অসৌজন্যমূলক আচরণ করা হচ্ছে তাঁর সঙ্গে। মুখ্যমন্ত্রীর কথায়, ”সৌজন্য একতরফা হয় না। দেখুন ক্রি’য়া হলে প্রতি’ক্রিয়া হয়। বাংলা মু’ক্তদ্বার সবার জন্য।

বাংলায় আসুন। সবাইকে স্বাগত। বাংলা সবার জন্য মু’ক্ত দ্বার। কিন্তু তিনি এসে যে কথাগুলো বলে গেলেন, তাঁদের ভাষা, শরী’রী ভা’ষা, শুনলে আমার নিজেরই রা-গ হয়।

দেশের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর মুখে এমন ভাষা মানায় না। আপনি আমাকে গা-লা’গা’ল দিতে পারেন কিন্তু উপেক্ষা করতে পারবেন না।”

এদিন অমিত শাহ কোচবিহারে পরিবর্তন যাত্রার সূচনা করে একাধিক তোপ দাগেন রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রীকে। বলেন, ”এখানে ‘জয় শ্রী রাম’ বলাকে গর্হিত অ-পরা’ধ হিসেবে দেখা হয়।

বাংলায় বলব না তো পাকিস্তানে বলবও? মমতা দিদির অ-প-মা-ন হয় এই ‘জয় শ্রী রাম’ বললে। কারণ রাম নয়, ভো’ট ব্যা’ঙ্কের জন্য ওঁর অন্য ধ’র্মে’র ভোটের প্রয়োজন হয়।

চিন্তা করবেন না। নির্বাচন শেষ হতে হতে মমতা দিদিও জয় শ্রী রাম বলবেন। মমতা দিদি নিজেই বুঝতে পারছেন না কোথা থেকে ল-ড়া-ই করবেন। একবার বলছেন এখানে, একবার ওখানে।”

এর পাল্টা মমতা নিশানা সেধে বলেন, ”চো’রের মায়ের বড় গ’লা, চালুনি আবার সুচের ভুল ধরে। ফুচকা খাবার ক্ষমতা নেই, ফুলকো লুচি খাবে। বাংলাকে সারাক্ষণ গা-‘লি দিয়ে চলেছে। হোক না গণ’তা’ন্ত্রিক ভাবে নির্বাচন। ভ-য় দেখাচ্ছেন কেন?

কী ভাবছেন দিদি বাধ্য হবে? হয়ে যাক একটা খেলা, গ’ণতা’ন্ত্রিক খেলা, রাজনৈতিক খেলা, একদিকে আপনারা থাকবেন বাম-কংগ্রেসকেও সঙ্গে দিয়ে দিলাম। আমি কিন্তু গোলকিপার। দেখি কটা গোল দিতে পারেন, আর কে যেতে!”