ধেয়ে আসতে চলেছে ২৪০ কিমি বেগে বিধ্বংসী ঘূর্ণিঝড়, লাল সতর্কতা জারী আবহাওয়া দপ্তরের

ক’রোনা আবহে মানুষ ঘরব’ন্দি। কোটি কোটি মানুষ চাকরী হারিয়ে বেকার হয়ে বসে রয়েছে। এই পরিস্থিতিতে ধেয়ে আসতে চলেছে ২৪০ কিমি বেগে প্রবল ঘূর্ণিঝড় হ্যারিকেন লরা। আমফনের রেশ না কাটতে কাটতেই আবারও ঘূর্ণিঝড় এর প্রকোপ

আমেরিকার লিউসিয়ানা উপকূলে আছড়ে পড়েছে ভ’য়ঙ্কর হ্যারিকেন লরা। আবহাওয়া দফতর সূত্রে খবর, এই ঝড়ের ফলে ওই এলাকায় তীব্র ঝড় ও বৃষ্টির সম্ভবনা রয়েছে। আবহাওয়া অফিসের তরফ থেকে বলা হয়েছে যে, এর ফলে ঘণ্টায় ২৪০ কিলোমিটার বেগে হাওয়া বয়ে যাওয়ার সম্ভাবনা প্রবল। ১৬৪ বছরের সবচেয়ে বড় হ্যারিকেন এই ঝড়টি।

এর আগে মার্কিন উপকূলে এমন ধরনের ভ’য়ানক ঝড় কেউ দেখেছেন বলে মনে করতে পারেন না।সেই কারণেই প্রশাসনের পক্ষ থেকে টেক্সাস ও লিউসিয়ানা এলাকা খালি করে মানুষকে সরিয়ে অপেক্ষাকৃত নিরা’পদ এলাকায় স্থানান্তরিত করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার সকাল ৫ টায় ঝড় আছড়ে পড়ে লিউসিয়ানার ক্যামেরন জেলায়।

ইতিমধ্যে যে খবর পাওয়া গেছে সেই অনুযায়ী, মোট ৩ লক্ষ ৩০ হাজার বাড়িতে ইতিমধ্যে বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন হয়েছে। টেক্সাসে সেই সংখ্যাটা পৌঁছেছে ৮০ হাজারে। শুধু ঝড় নয়, বেশ কিছু এলাকা বৃষ্টিতে ভাসছে। আবহাওয়া দফতরের তরফ থেকে বলা হয়েছে, এই ঝড়ের গতিবেগ ঘন্টায় ২৪০ কিলোমিটার।

২০০৫ সালে শেষ মা’রণ হ্যারিকেন আছড়ে পড়ে আমেরিকায়। নাম ছিল ক্যাটরিনা। সেই ঝড়ে প্রায় আঠারোশো মানুষের প্রয়ান ঘটে। বানভাসি হয় বহু এলাকা। তবে এই লরার গতিবেগ ওই ঝড়ের থেকে অনেক বেশি। তাই বিশেষ সাবধানতা অবলম্বন করা হয়েছে।

গত সোমবারই মার্কো নামে আরও একটি হ্যারিকেন আছড়ে পড়ে একই অঞ্চলে। সেই ঝড়ে প্রা’ণহা’নি হয়েছিল ২৪ জনের। হ্যারিকেন সেন্টারের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, এই দু’‌টি ঝড়ের মধ্যে সময়ের তফাৎ মাত্র ৪৮ ঘণ্টা। তবে এই ঝড়ের ছেয়ে মার্কো অনেক কম শক্তিশালী ছিল।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here