ছোট ছোট স্টেপে দুর্দান্ত নাচ নাচল খুদে কন্যা, মুহূর্তে ভাইরাল ভিডিও

বর্তমান যুগ পুরোপুরিভাবে বৈজ্ঞানিক যুগ। প্রায় প্রতিদিনই নিত্যনতুন আবিষ্কারে পৃথিবীর রয়েছে সক্রিয়। যুগের পর যুগ ধরে বিজ্ঞান ক্রমশ উন্নতি লাভ করেছে। উদাহরণ হিসেবে বলা যায়, পৃথিবীর প্রথম কম্পিউটার যন্ত্রটি ছিল একটি বিশাল বড় ঘরের মতো বড়,

কিন্তু এখন বিবর্তনের ফলে কম্পিউটার ছোট হাতের তালুর মধ্যে এসে গেছে। শুধু তাই নয়, আগে মানুষের যোগাযোগের মাধ্যম হিসেবে শুধুমাত্র চিঠি ছাড়া আর কোন বিকল্প ছিলনা। বর্তমানে স্মার্টফোনে দৌলতে তা এখন হয়ে গেছে সহজলভ্য।

গ্রামাঞ্চলেও স্মার্টফোন আজকাল প্রায় প্রতিটি মানুষের ঘরে ঘরে দেখা যায়। স্মার্টফোনের শুধু কথা বলা নয়, এর মাধ্যমে অনলাইন ক্লাসও চলছে বর্তমানে। কাউকে দেখার ইচ্ছা হলে শুধুমাত্র একটি ভিডিও কলে স্মার্টফোন দেখিয়ে দেবে তাকে। সুতরাং এই ভাবেই বিজ্ঞানের গতিতে এগিয়ে চলেছে বিশ্ব।

বর্তমানে এই সোশ্যাল মিডিয়াকে কাজে লাগিয়েই বিভিন্ন মানুষ তাদের প্রতিভাকে তুলে ধরেছেন বিশ্বের সামনে। এমনকি বর্তমানে লকডাউন এর কারণে সবই বন্ধ সে ক্ষেত্রে বিভিন্ন ডান্স, যোগা, সংগীত একাডেমী এবং তাদের শিল্পীরা সোশ্যাল মিডিয়ার মাধ্যমে নিজেদের প্রতিভা তুলে ধরেছেন সকলের সামনে।

এমনকি সোশ্যাল মিডিয়ায় উঠেছে নানা রকম অ্যাপ, টিক টক, মোজ প্রভৃতি এপেন নানারকম স্পেশাল ইফেক্টের মাধ্যমেই দারুন ভিডিও তৈরি করে মানুষ তার প্রতিভাকে সোশ্যাল মিডিয়ায় আকর্ষণীয়ভাবে পরিবেশন করতে পারছেন। বর্তমানে খুদেরাও পিছিয়ে নেই প্রতিভা প্রদর্শনের দৌড়ে।

সঙ্গীত, নৃত্য, আবৃত্তি, মার্শাল আর্টস সবদিক থেকেই তারা রয়েছে এগিয়ে। তাদের এই প্রতিভা দেখে সত্যিই অবাক হতে হয় কিছুদিন আগেই ভাইরাল একটি ভিডিওতে দেখা গিয়েছিল, দুই ভাইবোন মার্শাল আর্টস করে কাঁপিয়ে দিয়েছে সোশ্যাল মিডিয়া।

ছোট ছোট বাচ্চাদের এই রকম ভিডিও দেখেই মুগ্ধ হয়ে গেছিলেন সকলে। খুদে বাচ্চাদের প্রতিভাগুলি সত্যি আমাদের অবাক করে বারবার। সম্প্রতি ভাইরাল একটি ভিডিওতে দেখা যাচ্ছে, একটি ছোট মেয়ে মহারাষ্ট্রের পোশাকে নৃত্য করে কাঁপিয়ে দিয়েছে সোশ্যাল মিডিয়া।

সে “হে পার্থ সারথী” গানটিতে পারফর্ম করেছে। মেয়েটির নাম শানভি হালদার, তার বাড়ি দক্ষিণ 24 পরগনা ডায়মন্ড হারবারে। ছোট্ট মেয়েটির নাচ দেখে সত্যি অবাক হতে হয়। প্রকৃতির মাঝে ছাদের উপর তার এই নাচ মুগ্ধ করে দিয়েছে দর্শকদের। গানের তালে তালে তার এক্সপ্রেশন সত্যি দেখার মত।

ছোট্ট মেয়েটির প্রতিভায় মুগ্ধ করেছে সবাইকে। তার পারফরম্যান্স দর্শকের মন কেড়ে নিয়েছে। ভিডিওটি পোস্ট করা হয়েছে “চিত্রায়ন” নামে একটি অফিশিয়াল ফেসবুক পেজ থেকে। ভিডিওটি সোশ্যাল মিডিয়ায় হয়ে গেছে ভাইরাল হাজার হাজার মানুষ ভিডিওটি লাইক করেছেন। হাজার হাজার মানুষ ভিডিওটি লাইক করেছেন।

তার মিষ্টি হাসি, তার সরলতা ভরা, মুখের ভাষা চোখের এক্সপ্রেশন সবকিছুই দর্শকের মন কেড়ে নিয়েছে। মেয়েটি যেনো তার নিজের জীবনে এভাবেই এগিয়ে যায় এই আশাই করি আমরা। সোশ্যাল মিডিয়ায় এভাবেই নানারকম ভিডিও হয় ভাইরাল। বর্তমানে একটা স্মার্টফোনের মাধ্যমে সব কিছু সম্ভব।

হাতের মুঠোয় থাকা একটি ফোনের মাধ্যমে আজকাল সব কিছু আমরা করতে পারি। শিক্ষা ব্যবসা-বাণিজ্য খেলাধুলা সব কিছুই আমরা দেখতে পাই ফোনের মধ্যে। এই ভাবেই বিজ্ঞান এগিয়ে চলেছে বারবার। সোশ্যাল মিডিয়া এবং তার সঙ্গে যুক্ত থাকা প্রতিটি মানুষকে জানাই সাধুবাদ।