ভোটে জেতার পর “খেলা হবে” গানে তুমুল নাচ নাচলেন পাড়ার যুবতী বৌদিরা, তুমুল ভাইরাল ভিডিও

সোশ্যাল মিডিয়ার দৌলতে সারা দুনিয়া আজ হাতের মুঠোয়। পৃথিবীর কোন প্রান্তে কি ঘটছে তার সবটাই আয়ত্তে আনতে সাহায্য করেছে সোশাল মিডিয়া।

সোশাল মিডিয়ার মাধ্যমে বেশ সহজেই জনপ্রিয়তা অর্জন করা সম্ভব। সুপ্ত প্রতিভার অধিকারী মানুষেরা রিয়েলিটি শোয়ের মঞ্চে

জায়গা করে নিতে না পারলেও তাদের জন্য সোশাল মিডিয়া এক অনন্য সুযোগ এনে দিয়েছে। ভোটের বাজারে এখন মুখে মুখে একটাই কথা, “খেলা হবে”।

বছর তিনেক আগে বোলপুরের একটি ঘটনায় তৎকালীন বীরভূমের ডিএসপিকে সময় বেঁধে দিয়ে হুঁশিয়ারি দিয়েছিলেন

বীরভূম জেলা তৃণমূল কংগ্রেসের সভাপতি অনুব্রত মণ্ডল। সেসময় বীরভূম জেলা তৃণমূল সভাপতির মুখেও উঠে আসে খেলার কথা।

তিনি বলেছিলেন, তাণ্ডবলীলা খেলে দেব, ভয়ঙ্কর খেলে দেব। একুশের মহাযুদ্ধের আগে ফের খেলা হবে স্লোগান নিয়ে রাজনীতি সরগরম।

“খেলা হবে” স্লোগান এখন রাজনীতির মঞ্চে ছেলে ঢুকে গিয়েছে রাজ্যবাসীর হেঁসেলে। বিয়ে বাড়ি হোক বা অন্নপ্রাশনের অনুষ্ঠান

কোন কিছুতেই বাদ যাচ্ছেনা “খেলা হবে” গান। তৃণমূল মুখপাত্র দেবাংশু ভট্টাচার্য এই গান তৈরি করেছে বলে জানা যায়।

ভোটমুখী বাংলায় বীরভূম জেলা তৃণমূল সভাপতি অনুব্রত মণ্ডলের মুখে প্রথম এই শব্দবন্ধ শোনা যায়। তারপরই তৃণমূল নেতা দেবাংশু ভট্টাচার্য এই স্লোগান নিয়ে একটি গান লেখেন।

এই গান রাতারাতি ভাইরাল হয়ে যায় চারিদিকে। তারপর থেকেই ভোটের বাংলা মাতিয়ে রেখেছে “খেলা হবে” স্লোগান।

রাজনীতির ময়দান ছাড়িয়ে এই গান এখন জনমানসে জনপ্রিয়তা অর্জন করেছে। সরস্বতী পুজোতেও শুনতে পাওয়া গিয়েছিল “খেলা হবে” গান।

তৃণমূল নেত্রী মমতা বন্দোপাধ্যায়ের কন্ঠে ও বারবার শোনা গেছে এই শ্লোগান। বিরোধীরা অবশ্য এই গানটি নিয়ে কটাক্ষ করতেও ছাড়ে নি।

বিশেষত বিজেপির রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষ এই গান নিয়ে তৃণমূলকে আক্রমণ করেছেন। কিন্তু তাতেও জনপ্রিয়তা হারায়নি দেবাংশু ভট্টাচার্য এর এই গান।

এবার “খেলা হবে” গানের ডিজে ভার্সনে নাচলেন এলাকার মেয়ে বউ থেকে শুরু করে যুবক যুবতীরা। এমন একটি ভিডিও ভাইরাল হয়েছে ইউটিউবে।

“ডিজে আনন্দ নামক এক ব্যক্তি নিজের ইউটিউব চ্যানেল থেকে পোস্ট করেছেন এমন একটি ভিডিও। যেখানে “খেলা হবে” গানের তালে একসঙ্গে নাচতে দেখা গিয়েছে পাড়ার যুবক যুবতীদের।

ইতিমধ্যেই ইউটিউবে ভিডিওটি যথেষ্ট জনপ্রিয়তা অর্জন করেছে। প্রায় সাড়ে পাঁচ লক্ষের মানুষ ভিডিওটি দেখে নিয়েছেন। একই সঙ্গে সাড়ে চার হাজার লাইক পড়েছে ভিডিওটিতে।

প্রত্যেক দিন সোশাল মিডিয়ায় এমনই কিছু ভিডিও ভাইরাল হয়। এই ভিডিওগুলি দেখে সময় কেটে যায় আমাদের।