“ঘরছাড়াদের ঘরে ঢোকানোর ব্যবস্থা করুন, ভোজ পরে খাবেন”, দিলীপকে আক্রমণ বিজেপি নেতার

রাজনৈতিক কর্মকাণ্ড সামলে বিয়ে বাড়ির অনুষ্ঠানে যোগদান করেছিলেন এই বিজেপি রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষ। সেই ছবি সোশ্যাল মিডিয়ায় ব্যাপক ভাইরাল হয়েছে। কারণ সেই ছবিতে রাজনৈতিক দিক থেকে প্রতিপক্ষ কুণাল ঘোষের সঙ্গে দেখা গিয়েছিল বিজেপি নেতা দিলীপ ঘোষকে।

বিরাটিতে আয়োজিত ওই বিয়েবাড়িতে গিয়ে দুজনে পাশাপাশি দাঁড়িয়ে ছবি তুলেছেন। সেই ছবি নিয়ে বিজেপির রাজ্য সভাপতিকে আ-ক্রমণ করলেন নানুরের মণ্ডল সভাপতি চন্দ্রচূড় ঘোষ।

এদিন তিনি দিলীপ ঘোষকে তীব্র আ-ক্রমণ করে সোশ্যাল মিডিয়ায় লেখেন, “কর্মীরা এখন ঘরছাড়া, তাদের ঘরে ঢোকানোর ব্যবস্থা করুন। ভোজ তো পরেও খাওয়া যাবে।”

তাঁর এই পোস্ট ঘিরে একের পর এক মন্তব্য উঠে আসতে শুরু করে নেটিজেন মহলের পক্ষ থেকে। বিষয়টি নজরে আসে জেলা বিজেপি নেতৃত্বের। রীতিমতো আলোরন পড়ে যায়। নানুরের মণ্ডল সভাপতি চন্দ্রচূড় ঘোষ ফেসবুক থেকে কিন্তু এই পোস্ট সরিয়ে নেন নি।

চন্দ্রচূড় ঘোষের পোস্টের ভিত্তিতে অনেকেই অনেক রকম মন্তব্য করেছেন। কারও মতে, “এরই নাম রাজনীতি”। কেও বলেছেন, “সাধারণ কর্মীরা জানে ম-”রে,বড় বড় নেতারা সুস্বাধু ভোজন করে।”

এই পোস্টের ভিত্তিতে চন্দ্রচূড় ঘোষ বলেন, “নানুরে কয়েকশো বিজেপি কর্মীর সঙ্গে আমিও ঘরছাড়া। কবে ফিরবো জানিনা। আর সেই সময় এই ধরনের ছবি আমাকে আ-ঘা-ত করেছে। একজন সাধারণ বিজেপি কর্মী হয়ে তাই এই পোষ্ট করেছি।”

প্রসঙ্গত উল্লেখ্য, নির্বাচন-পরবর্তী হিং-সা যে কয়েকটি অঞ্চলে ছড়িয়ে পড়েছিল তারমধ্যে নানুর বিধানসভা অন্যতম। বিজেপির অভিযোগ, ওই এলাকার বহু বিজেপি কর্মী এখনো পর্যন্ত ঘর ছাড়া। অনেকের বাড়িতে চালানো হয়েছে লু-টপাট।

তৃণমূলের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছিল, লিস্ট তৈরি করে যারা ভয়ে ঘর ছেড়েছিল তাদেরকে ঘরে ফেরানো হবে। শা-সক দল এবং পুলিশের সহায়তায় গত মাসে অনেকেই ঘরে ফিরেছিল। তারই মাঝে নানুর বি ব্লকের সভাপতি চন্দ্রচূড় ঘোষের ফেসবুক পোষ্ট নিয়ে জল্পনা শুরু হয়েছে বিজেপির অন্দরে।