“একটি দল ছেড়ে এসেছিলেন, আরেকটিতে যাবেন”, মুকুলের দলবদলের জল্পনায় বি’স্ফো’রক মন্তব্য দিলীপের

একুশের বিধানসভা নির্বাচনের আগে যে সমস্ত তৃণমূল কংগ্রেসের নেতা কর্মীরা বিজেপিতে যোগ দিয়েছেন, তারা আবারও ফিরছেন তৃণমূলে। এ যেন উল্টো গঙ্গা বইতে শুরু করেছে ব’ঙ্গ রাজনীতিতে।

বিধানসভা ভোটের আগে সোনালী গুহ বিজেপিতে যোগ দিলেও এখন আবার তিনি উল্টো সুর ধরেছেন। এবারে আমার ক’-রো’-না আ-ক্রা-ন্ত মুকুল রায়ের স্ত্রী’কে হাসপাতালে অভিষেকের দেখতে যাওয়া নিয়ে জ-ল্পনা তুঙ্গে।

রাজনৈতিক মহলে চলা জল্পনা নিয়ে এবার মুখ খুললেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষ। নেতারা দলবদল করতে চাইলে কি পদক্ষেপ নেবে বিজেপি? প্রশ্নের উত্তরে দিলীপ ঘোষ বলেন, “এটা গ-ণতা-ন্ত্রিক দেশ। যে কেউ দল বদল করতে পারে।

একটা দল ছেড়ে এসেছিলেন, আরেকটা দলের যাবেন। গায়ের জোরে কাউকে আটকানো যাবে না। কিছু কিছু লোক উদ্দেশ্য নিয়ে দল করে। হাজার হাজার লোক এসেছে। একআধজন চলে গেলে যেতে পারেন।”

বুধবার অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় সন্ধ্যা ৬ টা ৪৫ মিনিট নাগাদ মুকুল রায়ের স্ত্রীকে দেখতে হাসপাতালে পৌঁছান। সেখানে গিয়ে চিকিৎ’সকদের থেকে মুকুল রায়ের স্ত্রীর শা’রী’রিক অবস্থার খোঁজখবর নেন তিনি।

মুকুলের ছেলে শুভ্রাংশু সঙ্গেও কথা বলেন অভিষেক। এ প্রসঙ্গে শুভ্রাংশু জানান, “মা অত্যন্ত অ’সু”স্থ। এই অবস্থায় তাঁকে দেখতে এসেছিলেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়।

এই ধরনের সৌজন্যের রাজনীতিক উদাহরণ আগে রয়েছে কিনা আমার জানা নেই এবং ভবিষ্যতেও দেখা যাবে কিনা জানি না। আমি মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এবং অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের কাছে কৃতজ্ঞ”।

মুকুলের পুত্র শুভ্রাংশু রায়ের সঙ্গে অভিষেকের সৌজন্য সাক্ষাৎ নিয়ে জল্পনা শুরু হয়েছে রাজনীতির অন্দরে। এবার প্রশ্ন উঠেছে, বঙ্গ রাজনীতির একাধিক বিজেপি নেতা কি তবে ঘাসফুল শিবিরে নাম লেখাতে চলেছেন? এই জল্পনার মধ্যে দিলীপ ঘোষের মন্তব্য যেন অ’ক্সি’জেন যুগিয়েছে।