“পুলিশকে আমাদের পা’য়ের তলায় চাকরি করতে হবে”, প্রকাশ্য জনসভায় পুলিশকে হুঁশিয়ারি দিলীপ ঘোষের

এবার মুর্শিদাবাদের সুতিতে নির্বাচনী জনসভা করতে গিয়ে পুলিশকে হুঁ’শি’য়ারি দিলেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষ। তাঁর দাবি, “পুলি’শকে আমাদের পা’য়ের তলায় থেকে চাকরি করতে হবে”।

তাঁর মতে, “সময় পাল্টাচ্ছে এবং ২ তারিখের পর তা আরও পাল্টে যাবে”। দিলীপ ঘোষের এই মন্তব্যের পাল্টা প্রতিক্রিয়া দিতে ভোলেনি তৃণমূল কংগ্রেস। মুর্শিদাবাদ জেলা তৃণমূল কংগ্রেসের দাবি, দিলীপকে অতি শীঘ্রই মান’সিক হা’সপা’তালে ভ’র্তি করানো প্রয়োজন।

কোচবিহারের শীতলকুচিতে চতুর্থ দফা নির্বাচনের অ’শা’ন্তির জেরে দিলীপ ঘোষের গাড়ির ওপর হা’ম’লা করার প্রতিবাদে রাজ্যজুড়ে থা’না ঘে’রাও থেকে শুরু করে বি’ক্ষো’ভ কর্মসূচি পালন করছে বিজেপি।

বিজেপি প্রার্থী কৌশিক দাস সুতি থানায় স্মারকলিপি দিতে গেলেও তাঁকে ফিরিয়ে দেওয়া হয় স্মারকলিপি জমা না নিয়েই। বিজেপির অভি’যোগ, সুতি থানার ওসি বিপ্লব কর্মকার বিজেপি প্রার্থী কৌশিক দাসকে হে’ন’স্থা করেন। এই ঘ’ট’না নিয়ে ওসিকে হুঁ’শি’য়ারি দিতে ছাড়লে না দিলীপ ঘোষ।

কৌশিক দাসের সমর্থনে সোমবার সুতিতে একটি জনসভা করেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষ। সুতি থানার ওসি এবং পুলিশের বি’রু’দ্ধে আ’ক্র’ম’ণা’ত্ম’ক মে’জা’জকে দেখা গেল তাঁকে।

তিনি সভামঞ্চে দাঁড়িয়ে বলেন, “পু’লি’শের পোশাকের টাকা, বেতন আমরাই দিই। সাধারণ মানুষ সেই টাকা দেয়। একটা পার্টির প্রার্থীকে ওসি চ’ম’কাবে, সেই ক্ষ’মতা কে দিয়েছে?”

এরপর তিনি আরো বলেন, “আমরা জানি তোমরা (পুলি’শ) ক’ষ্টে’র মধ্যে রয়েছো। কিন্তু চাক’রবা’করের মতো থেকো না। আমরা তোমাদেরকে মানুষ করতে চাইছি। মানুষ হওয়ার চেষ্টা করো। সময় পাল্টাচ্ছে, ২ তারিখের পর সব পাল্টে যাবে।

যাঁরা এখনও চম’কাচ্ছেন-ধ’ম’কাচ্ছেন, তাঁরা ভেবে দেখুন, ২ তারিখের পর কোথায় যাবেন? যদি বিহারে জমি কিনতে হয়, আমাকে বলুন আমি কিনে দেব, চাকরি সারা জীবন করতে হবে। আমাদের পা’য়ে’র তলায় থেকে চাকরি করতে হবে, আমি বলে দিচ্ছি।”

দিলীপ ঘোষের এই মন্তব্যের বি’রো’ধিতা করে শা’স’কদল তৃণমূল কংগ্রেসের পক্ষ থেকে তী’ব্র প্রতি’ক্রিয়া দেওয়া হয়েছে। মুর্শিদাবাদ জেলা তৃণমূলের সভাপতি আবু তাহের খান বলেন, “দিলীপ ভুলভাল মন্তব্য করছেন।

আজ প্রথম নয়, বেশ কিছু দিন ধরেই এ ধরনের ভুলভাল মন্তব্য করছেন তিনি।” একইসঙ্গে তিনি ক’টা’ক্ষ করে বলেন, “বিজেপি রাজ্য সভা’পতিকে অতি শীঘ্রই মান’সিক হাস’পাতালে ভ’র্তি করা’নো প্রয়োজন।”