দূরের পথ পায়ে হেঁটেই স্কুল যেতে হয় গ্রামের মেয়েদের, নিজের জমানো সব টাকা দিয়ে বাস কিনে দিলেন চিকিৎসক

অনেকেই মনে করেন দেশ আজ এতই উন্নত যে কোথাও কোনো ক’ষ্ট নেই কিন্তু আজও এমন কিছু প্রত্যন্ত এলাকা আছে যেগুলো অ’বা’ক করতে বা’ধ্য।

আর বর্তমানে সোশ্যাল মিডিয়ার দৌলতে বিভিন্ন মানবি’কতার কাজ সকলের সামনে আসছে। সম্প্রতি একটি প্রত্যন্ত গ্রামে বসবাসকারী মেয়েদের সুবিধা করে দিয়ে অনন্য নজির গড়লেন এক স্থানীয় চি’কি’ৎসক।

স্থানীয় ওই বৃদ্ধ চি’কিৎ’সকের নাম আর পি যাদব। তিনি রাজস্থানের কোট পুটলিতে অবস্থিত একজন স্থানীয় প্রবীণ চি’কিৎ’সক। তার বয়স প্রায় ৬১ বছর।

তিনিই রিটায়ারমেন্ট এর পরই নিজের পি এফ এর জমানো টাকা দিয়ে গ্রামের মেয়েদের জন্য একটি বাস কিনে দিয়েছেন।

ওই প্রত্যন্ত গ্রামটির ছেলে মেয়েরা অনেক দূরের একটা স্কুলে আসে পড়াশোনার করার জন্য। কিন্তু ওখানে যাতায়াতের তেমন সুবিধা নেই,

তাই ওই চিকিৎ’সক মনে করেন যদি একটা বাসের ব্যবস্থা করা যেত তাহলে তাদের যাতায়াতে অনেক সুবিধা হত। আর তাদের কথায় মাথায় রেখেই,

রিটায়ারমেন্ট পরবর্তীকালে কি হবে, কী ভাবে নিজের খরচা চালাবেন এইসব কিছু না ভেবেই জমানো টাকা দিয়ে কিনে ফেললেন একটি গোটা আস্ত বাস।

মান’বতা সহা’নুভূতি আজও অ’ক্ষু’ন্ন রয়েছে এই সমাজে তারই দৃ’ষ্টা’ন্ত ওই বৃ’দ্ধ ডা’ক্তার। ছোট ছোট ছেলেমেয়েরা মাইলের পর মাইল হেঁ’টে রোজ

স্কুলে আসতে দেখে সহানুভূতিশীল চিকি’ৎ’সক এই ছোট ছোট ছেলেমেয়েগুলোর কথা দিনের পর দিন ভেবেই গেছেন।

যেমন ভাবা তেমন কাজ, তিনি ঠিক করে ফেলেন অবসরের পাওয়া সমস্ত জমানো টাকা খরচ করবেন এই মেয়েদের ক’ল্যা’ণে।

নিজের পিএফের জমানো ১৯ লক্ষ টাকা খরচ করে তিনি বাস কিনেছেন। আইপিএস অফিসার আর কে বিজ নিজে এইসম্পুর্ন বিষয়টি সো’শ্যা’ল মিডি’য়ায় পো’স্ট করেন।

বিষয়টি সোশ্যাল মিডিয়াতে দিয়ে তিনি লেখেন যে ‘এমন এক ব্যাক্তিকে আমার প্র’ণা’ম জানাই’। তার এই কাজ দেশজোড়া ছড়িয়ে যাওয়ার পর দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে প্র’শং’সা পাচ্ছেন তিনি।

বর্তমানে পৃথিবীতে খুব কম মানুষকেই খুঁ’জে পাওয়া যায় যারা নিজের কথা না ভেবে সমা’জের ক’ল্যা’ণের জন্য ভাবেন আর কোনো পদ’ক্ষেপ নেন।

তাই এহেন এক বি’রা’ট পদ’ক্ষেপ নিয়ে নজির গড়লেন আর পি যাদব নামক এই প্রবীণ চি’কিৎ’সক। সোশ্যাল মিডিয়ায় এই বিষয়টি আ’প’লোড হওয়ার পরই নে’ট দুনি’য়ায় তু’মুল ভাই’রাল হয়ে গিয়েছে বিষয়টি।