হটাৎ দেখা মিলল বিরল প্রজাতির দুই মুখো সাপ, কাছে যেতেই ঘটল বিপত্তি, তুমুল ভাইরাল ভিডিও

কদিন আগেই ভাইরাল হয়েছিল একটি মাকড়সা একটি পাখি কে যেন গিলে খাচ্ছে। প্রকৃতির এরকমই নানা রকম অদ্ভুত খেয়ালিপনা দেখে বারবার আশ্চর্য হই আমরা।

আসলে ইহাই প্রকৃতির বৈশিষ্ট্য। প্রকৃতি বারবার নিজের রুপে নিজগুণে বারবার নানা রকম ভাবে ধরা দেয় আমাদের কাছে।

প্রকৃতির নিয়ম লঙ্ঘন করলে শাস্তি পেতে হয় আমাদের, যার বর্তমান ফল এখন দূষণ। সাপ সবসময়ই এক রহস্যময় জাতি।

পুরাকালে অনেক উপকথাতেই সাপের বিভিন্ন অলৌকিক ক্ষমতার পরিচয় পাওয়া গেছে। বলা হয় সাপ সম্মোহন ক্ষমতার সাহায্যে জীবজন্তুকে বশ করে শিকার ধরে।

এহেন অবস্থায় সাপ একমাত্র ভয় পেলে বা আত্মরক্ষার জন্যই কাউকে ছোবল মারতে থাকে। কিন্তু মানুষ না বুঝেই বহু সাপকে মেরে ফেলেন।

এজন্যই বর্তমানে তৈরি হয়েছে বহু রেস্কিউ টিম, সর্প রক্ষকরা এগিয়ে এসেছেন সাপকে বাঁচানোর কাজে।
কিন্তু বর্তমানে ওড়িশার কেওনঝড়ের দেখা গেছে এমন একটি অদ্ভুত সাপ, যার রয়েছে দুটি মাথা। শুনতে আশ্চর্য লাগলেও ঘটনাটি সত্যি।

বেটার ইন্ডিয়া নামের ফেসবুক পেজ থেকে ভাইরাল হওয়া একটি ভিডিওতে দেখা যাচ্ছে, একটি বিশেষ প্রজাতির উলফ সাপের মাথার মাঝখান থেকে যেন দুটি ভাগ হয়ে গেছে,

কিন্তু আসলে সেটি দুটি পৃথক পৃথক মস্তক। বৈজ্ঞানিকরা বলছেন, দুটি মাথায় পৃথক পৃথক স্নায়তন্ত্র দ্বারা গঠিত এবং দুজনেই আলাদা উদ্দীপনায় সাড়া দেওয়ার ক্ষমতা রয়েছে। আশ্চর্য এই ভিডিওটি দেখে অবাক হয়ে গেছে দর্শক। বিশেষ করে অনেকেই একে অলৌকিক ঘটনা বলে মেনে নিয়েছে।

কিন্তু বৈজ্ঞানিকদের মতে এটি একটি জেনেটিক্যাল ডিফেক্ট, সম্ভবত গর্ভবতী অবস্থায় মা সাপের কোন সমস্যা হওয়ায় এই রকম অদ্ভুত গঠন সৃষ্টি হয়েছে। ভিডিওটি দেখে অবাক হয়ে গেছেন দর্শক। হাজার হাজার মানুষ ভিডিওটি করে দিয়েছেন ভাইরাল। সাপটিকে নিয়ে প্রশ্নের শেষ নেই।

এছাড়াও এই রকম গঠন কুসংস্কারের ঝড় তুলে দিয়েছে। অনেকেই বলছেন এইসব ঘটনা প্রকৃতির জন্য অশুভ, প্রকৃতির বিপক্ষে গেলে তার ফল অবশ্যই খারাপ হবে। আবার অনেকেই বিজ্ঞানের সত্যতাকে যাচাই করে বিজ্ঞানকেই মেনে নিয়েছেন।

তবে সাপটিকে নিয়ে কৌতূহলের শেষ নেই কারুর, এই মুহূর্তে সাপটিকে নিয়ে বৈজ্ঞানিকরা গবেষণাগারে গবেষণায় ব্যস্ত। প্রকৃতির নিয়ম মেনে জীবজগতের চলা উচিত। কিন্তু বর্তমানে প্রকৃতির নানা অদ্ভুত ঘটনা চিন্তিত সবাই। বিশেষ করে যে খাদ্য শৃংখল তার সমতা বর্তমানে ঠিক নেই,

এই কারণেই প্রকৃতিতে এরকম অদ্ভুত অদ্ভুত ঘটনা ঘটতে দেখা যাচ্ছে। তাহলে কি শেষ পর্যন্ত আমাদের পৃথিবী ধ্বংসের মুখে? সম্প্রতি করোনার তাণ্ডবে সারাবিশ্বে মহামারীতে প্রাণহানি হয় অনেক মানুষের, তাহলে কি মানুষ নিজের কর্মকাণ্ডের জন্যই আজ ধ্বংসের পথে?

এখনই সবার উচিত প্রকৃতির নিয়ম মেনে চলা, বৃক্ষরোপণ করা, প্রকৃতির যত্ন করা। ইতিমধ্যে সাবধানতা অবলম্বন না করলে তা বড় ধ্বংসের দিকে এগোতে পারে।