“সাবালকের ব্যর্থতা দেখতে নাবালককে আসতে হয়”, শুভেন্দুর গড়ে গিয়ে তাকেই আক্রমণ অভিষেকের

যশ বিধ্বস্ত দের পাশে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। দুই ২৪ পরগনার পর এবার তিনি গিয়ে পৌঁছলেন পূর্ব মেদিনীপুরে। শুভেন্দুর গড় নামে পরিচিত তাজপুর লাগোয়া এলাকায় ঘুরে দেখলেন অভিষেক।

বাঁধ নিয়ে অভিষেকের সামনে একরাশ ক্ষো’-ভ উগরে দিলেন বাসিন্দারা। তাদের পাশে থাকার আশ্বাস দিয়েছেন ডায়মন্ড হারবারের সাং’সদ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। একইসঙ্গে এদিন তিনি নাম না করে শুভেন্দু অধিকারীকে আ’-ক্র’মণ করে বসে।

এদিন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, “মানুষের টাকা সরিয়ে কারা এই বাঁধ নির্মাণ করেছেন সবাই জানেন। কাউকে রেয়াত করা হবে না।” একই সঙ্গে শুভেন্দুর “নাবালক” কটা’ক্ষের জবাব দিলেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়।

বললেন, “সাবালকের ব্যর্থতা দেখতে নাবালককে আসতে হয়। সাবালক শুধু বড়-বড় ভাষণ দিচ্ছেন। উনি যখন সাবালক তো সাবালকত্বের পরিচয় দিন। সাবালককে অন ক্যামেরা টাকা নিতে দেখা গিয়েছে। নাবালককে কিন্তু দেখা যায়নি।”

পূর্ব মেদিনীপুরের মন্দারমণি, তাজপুর লাগোয়া এলাকা, রামনগর, কাঁথির বিভিন্ন এলাকা এদিন ঘুরে দেখেন অভিষেক। তাজপুর সংলগ্ন চাঁদপুর এলাকায় বেহাল অবস্থায় থাকা বাঁধগুলি ঘুরে দেখলেন তিনি।

সেই সময় বাঁধ নির্মাণকারী ঠিকা সংস্থাগুলির বিরুদ্ধে ক্ষো’ভ প্রকাশ করেন স্থানীয়রা। তাদের অভিযোগ, “দ্রুত এই বাঁধ ঠিক করা হোক। আগামী ১২ তারিখ ফের ভরা কোটাল আছে। বাঁধ ঠিক না হলে গ্রামে আবার জল ঢুকবে।”

যুব তৃণমূল সভাপতি তাদের আশ্বাস দিয়ে বলেন, “সরকার সব করে দেবে। নিশ্চিন্তে থাকুন। এখন ঘর বাড়ির মায়া করবেন না। আগে প্রা’ণে বাঁচুন।”

তিনি আরও বলেন, “আগামী মাস থেকে ক্ষতিগ্রস্তদের ব্যাং’কে সরকারি সাহায্য ঢুকতে শুরু করবে। সকলের টাকা পেতে একটু সময় লাগবে। সরকারকে সেই সময়টা দিন। সকলেই ক্ষ’তিপূরণ পাবেন।”

কাঁথির আশ্রয় শিবিরগুলি ঘুরে দেখে অভিষেক জানান, “যাঁর যা ক্ষ’তি হয়েছে, তার খতিয়ান দিন। ১৫ দিনের মধ্যে ক্ষ’তিপূরণ দেওয়া হবে।” একইসঙ্গে শি’শুদের দেখভালের কথাও জানান তিনি।