”দিদির ঘুম উড়ে গিয়েছে”, কৃষ্ণনগরের সভা থেকে মমতাকে নিশানা মোদির

একুশের বিধানসভা নির্বাচনের চতুর্থ দফায় শীতলকুচির ঘ’টনা এখন সবার নজরে। পশ্চিমবঙ্গে ভো’ট প্রচার করতে এসে কৃষ্ণনগরের সভা থেকে’

মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বি’রু’দ্ধে তী’ব্র আ-ক্র-ম’ণ করে বসলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। যদিও মুকুল রায়ের সমর্থনে জনসভা করতে গিয়ে এই নিয়ে একটি শ’ব্দও বলেননি প্রধানমন্ত্রী।

শনিবার কৃষ্ণনগরের জনসভায় মুখ্যমন্ত্রীকে টা’র্গে’ট করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, “দিদির ঘু’ম উড়ে গিয়েছে। ওঁর রা’গ আকাশ ছুঁ’য়েছে। জনতার সামনে কারও অ’হ’ঙ্কা’র টেকে না।

দিদি এটা বুঝতেই পারছেন না। নিজের দলের পো’লিং এজেন্টকেও গা’লিগা’লা’জ করছেন।” তিনি আরও বলেন, “বাংলায় ২ মে আসল পরিবর্তন হবে।

বাংলায় বিজেপি সরকার গড়বে। তোষণ, তো’লাবা’জি, গু’ন্ডা’মি চলবে না। খেলা শেষ হবে। হিং’সার খেলা শেষ হবে। ২ মে’‌র পর দিদির বিদায় হবে, ভাইপো নতুন খেলা হবে”।

মুখ্যমন্ত্রীকে সরাসরি নিশানা করে এদিন প্রধানমন্ত্রী বলেন, “ভো’টের হার জেনে পুরনো খেলায় মেতেছেন। দিদি হারছেন জেনে নিজেকে আর ধরে রাখতে পারছেন না।

জনতা এবার মমতাকে জবাব দেবে।” এভাবেই প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির একের পর এক মন্তব্যের নি’শানায় ছিলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।

এদিন প্রধানমন্ত্রী আরোও জানান, “আপনি এবার চলে যাবেন। তো’লাবা’জ চলে যাবে, সি’ন্ডিকেট চলে যাবে। আপনারা জানেন আমি চা–ওয়ালা। গোটা উত্তরবঙ্গ আমায় অনেক অনেক আ’শীর্বাদ দিয়েছেন। তৃণমূল সরকার যাচ্ছে, বিজেপি সরকার আসছে।

প্রথম তিন দফার ভোটে বাংলায় বিজেপির পক্ষে বাম্পার ভো’ট পড়েছে।” নির্বাচনের ফলাফল ২ মে। তার আগেই প্রধানমন্ত্রীর এমন মন্তব্য নিয়ে ব্যাপক চর্চা শুরু হয়েছে রাজনৈতিক মহলে।